মারকাযের অফিসিয়াল কানুন ও নিয়মনীতি
১. দারস (ক্লাস) সংক্রান্ত কানুন
-
১.১ দারসের রুটিন: সপ্তাহে ৬ দিন দারস অনুষ্ঠিত হবে (৫ দিন রেগুলার ও ১ দিন বিশেষ)। শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি। সোমবার ‘দারসুল ইক্তিসাদিল ইসলামী’ (ইসলামী অর্থনীতি) অথবা আবহাসে ফিকহিয়্যাহ এবং রাতে সুওয়াল-জাওয়াব অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে, যা দারসেরই অন্তর্ভুক্ত।
-
১.২ সরকারি ছুটি: সরকারি ছুটির দিনগুলোতে দারস বন্ধ থাকবে। (তবে বিধর্মীদের ছুটিতে দারস চালু থাকবে। যেমন: জন্মাষ্টমী বা বড় দিনে দারস চলবে)।
-
১.৩ সময়ের পাবন্দি: প্রতিদিন দারসের প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণ সময় উপস্থিত থাকতে হবে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মিনিমাম ৫ ঘণ্টা সময় মারকাযের জন্য ফ্রি রাখতে হবে (২.৫০ ঘণ্টা দারস, ২.৫ ঘণ্টা সবক ইয়াদ এবং ১ ঘণ্টা মুতালাআ ও তামরীনের জন্য)।
-
১.৪ হাজিরা ও পুরস্কার: অটোমেটিক সিস্টেমে হাজিরা হবে। ১৫০ মিনিটের মধ্যে কমপক্ষে ১২০ মিনিট উপস্থিত থাকলে হাজিরা বহাল থাকবে। দারসে উপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে পরীক্ষায় এক্সট্রা নাম্বার যোগ হবে। সারা বছর কোনো গাইন (অনুপস্থিতি) না থাকলে এবং পূর্ণ সময় দারসে উপস্থিত থাকলে (১২০+ স্কোরকারী হলে) বছর শেষে পুরস্কার দেয়া হবে।
-
১.৫ ড্রেসকোড ও আদব: কওমি মাদরাসার ড্রেসকোড (পাঞ্জাবি/জুব্বা, টুপি ইত্যাদি) পরিধান করে পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে দারসে বসতে হবে। দারসে হাঁসি-তামাশা বা নিজেদের পারসোনাল আলাপচারিতা নিষিদ্ধ।
-
১.৬ উস্তাদদের সম্বোধন: আসাতিযায়ে কিরামকে হুজুর, উস্তাদজী, শাইখ, হযরতজি ইত্যাদি মুনাসিব শব্দে সম্বোধন করতে হবে। ‘ভাই’ বা ‘জনাব’ ইত্যাদি বলা নিষিদ্ধ।
-
১.৭ সবক ও মুতালাআ: প্রতিদিনের সবক প্রতিদিন ইয়াদ করতে হবে এবং সামনের সবক মুতালাআ করে আসতে হবে। উস্তাদজি সবক শোনাতে বা ইবারত পড়তে বললে তা মানতে হবে। ইয়াদ না থাকলে চুপ না থেকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিতে হবে।
-
১.৮ কিতাব সংগ্রহ: দারসি কিতাবসমূহের হার্ড কপি অবশ্যই সংগ্রহ করতে হবে, কারণ আসাতিযায়ে কিরাম পিডিএফ পড়া অনুৎসাহিত করেন। কিতাব কিনতে সমস্যা হলে ‘কিতাব অর্ডার ফরম’ পূরণ করে বাংলাবাজার থেকে নিজ ঠিকানায় কিতাব নেয়া যাবে।
-
১.৯ পিডিএফ ও নোট: মারকাযের ওয়েবসাইট থেকে সমস্ত কিতাবের পিডিএফ মেমোরি কার্ডে সাজিয়ে রাখতে হবে। তবে দারসে বসার সময় কোনো সহায়ক গ্রন্থ বা নোট সাথে রাখা নিষিদ্ধ। প্রতিদিনের সবক প্রতিদিন গুগল ডক বা খাতায় নোট করতে হবে।
-
১.১০ তাকরার: প্রতিদিন নিজেদের মধ্যে সবক তাকরার করতে হবে। এর জন্য জুম অ্যাপ বা মেসেঞ্জার গ্রুপ কল ব্যবহার করা যাবে।
-
১.১১ ইউটিউব লাইভ: প্রতিদিনের দারস ইউটিউবে লাইভ হবে এবং সারা বছর ইউটিউব প্লেলিস্টে সকল দারস সাজানো থাকবে।
-
১.১২ ভর্তি বাতিল: টানা দুই সপ্তাহ গ্রহণযোগ্য ওজর ছাড়া অনুপস্থিত থাকলে এবং টানা ৩ মাস বেতন পরিশোধ না করা হলে কনফার্মেশন নিয়ে ভর্তি বাতিল হতে পারে। কনফার্মেশন ছাড়া ভর্তি বাতিল করা হয় না।
২. অনলাইন ও যোগাযোগ সংক্রান্ত কানুন
-
২.১ ডিভাইস ও ইন্টারনেট: ২ জিবি+ র্যামের মোবাইল বা পিসি, ২ এমবিপিএস নেট কানেকশন, একটি মোবাইল স্ট্যান্ড এবং মাইক্রোফোনযুক্ত ভালো মানের ব্রান্ডেড ইয়ারফোন থাকতে হবে।
-
২.২ জুম অ্যাপ ও ভিডিও: জুম (Zoom Workplace) অ্যাপ ইনস্টল ও লগিন করে রাখতে হবে। জুম টিউটোরিয়াল লিংক: https://youtu.be/5VJJsrTtLy0। দারস শুরুর ১০ মিনিট পূর্বে লিংক দেয়া হবে। দারসের পূর্ণ সময় ভিডিও অন রাখতে হবে (ওজর থাকলে অফ রাখা যাবে)।
-
২.৩ অ্যাক্টিভিটি: ফেসবুক মেসেঞ্জারে সর্বদা অ্যাক্টিভ থাকতে হবে। প্রতিদিন স্ক্রোল করে সকল মেসেজ পড়ে নিতে হবে। উস্তাদজি কোন মেসেজ দিলে সেটির উত্তর দিতে হবে। ‘Seen’ করে ফেলে রাখা যাবে না। ব্যস্ত থাকলে জানিয়ে দিতে হবে।
-
২.৪ গ্রুপ লিভ ও ভুল মেসেজ: নিজে নিজে কোনো গ্রুপ থেকে লিভ নেয়া যাবে না। গ্রুপে কোন মেসেজ করা যাবে না। ভুলে মেসেজ চলে গেলে ‘Remove > Unsend/Delete for everyone’ করে দিতে হবে।
-
২.৫ জিজ্ঞাসা: যেকোনো ধরনের জিজ্ঞাসা নাযিম সাহেব হুজুরের ইনবক্সে করতে হবে। কোনো গ্রুপে জিজ্ঞাসা করা নিষিদ্ধ।
-
২.৬ মেসেঞ্জার গ্রুপসমূহের বিবরণ:
-
২.৬.১ ইফতা ২৬-২৭ : ক্লাস লিংক, ভিডিও ও দরকারী সকল ঘোষণা এই গ্রুপে দেয়া হয়। আসাতিযায়ে কিরাম এই গ্রুপে থাকেন। অপ্রয়োজনীয় মেসেজ, লাইক, ইমুজি, মাশাআল্লাহ, জাযাকাল্লাহ ইত্যাদি পাঠানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
-
২.৬.২ ইফতা শিক্ষার্থী: শিক্ষার্থীদের কুশল বিনিময়, আলোচনা ও যোগাযোগের জন্য। স্বাধীনভাবে মেসেজিং করা যাবে।
-
২.৬.৩ নোটিশ গ্রুপ: শুধুমাত্র রশিদ ও লেনদেনের তথ্যের জন্য। অপ্রাসঙ্গিক মেসেজ নিষিদ্ধ।
-
২.৬.৪ তামরীন ও মুতালাআ গ্রুপ: এই সংক্রান্ত আলোচনার জন্য। অপ্রাসঙ্গিক মেসেজ নিষিদ্ধ ।
-
২.৬.৫ তাকরার গ্রুপ: মুযাকারা ও তাকরার সংক্রান্ত আলোচনার জন্য। অপ্রাসঙ্গিক মেসেজ নিষিদ্ধ ।
-
২.৬.৬ সাপোর্ট গ্রুপ: নাযিম সাহেব হুজুরের সাথে ছাত্রদের আলোচনার জন্য।
-
৩. পরীক্ষা সংক্রান্ত কানুন
-
৩.১ ফি ও প্রবেশপত্র: পরীক্ষার ফি প্রদান করে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে। প্রবেশপত্র ছাড়া পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ।
-
৩.২ পরীক্ষা পদ্ধতি ও সেমিস্টার: সারা বছর মূল ৩টি সেমিস্টার পরীক্ষা এবং এক বা একাধিক টেস্ট পরীক্ষা হবে। পরীক্ষা জুমে ভিডিও অন রেখে অনুষ্ঠিত হবে।
-
৩.৩ নাম্বার বণ্টন: ১ম ও ২য় সেমিস্টারের গড় নাম্বার বার্ষিক পরীক্ষায় যুক্ত হবে। দারসে উপস্থিতি, টেস্ট ও মূল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ইত্যাদির ওপর ভিত্তি করে পরীক্ষার নাম্বার কমবেশ হতে পারে।
-
৩.৪ খাতা ও কভার পেজ: পরীক্ষা শুরুর আগে A4 সাইজের কাগজ বা রোলহীন বাংলা খাতা এবং কভার পেজ প্রস্তুত রাখতে হবে। কভার পেজ লিংক: https://drive.google.com/file/d/16ny2H8hYmHrDbwNgg6qllDLVuF1R_eSR/view।
-
৩.৫ পরীক্ষা চলাকালীন নিয়ম: প্রথম আধা ঘণ্টায় প্রশ্ন বুঝে নিতে হবে। প্রশ্নপত্রে আবশ্যকীয় কোনো প্রশ্ন থাকলে তার উত্তর বাধ্যতামূলক। এদিক-সেদিক তাকানো, কথা বলা বা জুম থেকে বের হওয়া নিষিদ্ধ।
-
৩.৬ খাতা জমা ও কুরিয়ার: শেষ ঘণ্টা বাজার সাথে সাথে খাতা পিনাপ করে ছবি তুলে পরীক্ষক উস্তাদজির ইনবক্সে দিতে হবে। ছবি তোলার পর খাতায় কমা পরিমাণ পরিবর্তনও গ্রহণযোগ্য নয় (তবে কভার পেজ ও উত্তরের বাহিরের কিছু হলে ছাড়যোগ্য)। সব পরীক্ষা শেষে ফিজিক্যাল খাতাগুলো একত্রে প্যাকেটে ভরে “আর্জেন্ট হোম ডেলিভারি” লিখে সুন্দরবন কুরিয়ার বা পাঠাওয়ের মাধ্যমে মারকাযে পাঠাতে হবে।
-
৩.৭ ফলাফল: বার্ষিক ফলাফল ওয়েবসাইটে (result.durus.us) পাবলিশ হবে এবং সফটওয়্যারে (result.durus.us/) ব্যক্তিগত ফলাফল দেখা ও প্রিন্ট করা যাবে। এ ছাড়া সকল পরীক্ষার ফলাফল ওয়েবসাইটে পাবলিশ হবে।
-
৩.৮ সনদ প্রাপ্তির শর্ত: বার্ষিক পরীক্ষায় মুমতায, জাইয়িদ জিদ্দান অথবা সর্বনিম্ন জাইয়িদ হতে হবে। যেকোনো ২ কিতাবে ফেইল (৩৫ এর কম) বা গড় নাম্বার ৫০ এর কম হলে সনদ মিলবে না।
-
৩.৯ সনদে ‘অনলাইন’ লেখা থাকবে না। এটি মুফতি হওয়ার সনদ নয়, বরং কোর্স সম্পন্ন করার স্বীকৃতি। মুফতী- এটি আল্লাহ প্রদত্ত বিশেষ গুণের নাম, যা চরম মেহনত এবং উস্তাযের সোহবতের মাধ্যমে অর্জন করতে হয়।
৪. তামরীন ও মুতালাআ সংক্রান্ত কানুন
-
৪.১ টার্গেট: সারা বছর অন্তত ৫০টি তামরীন করার টার্গেট থাকতে হবে (সাধারণত ঈদুল আযহার পর থেকে তামরীনের মেহনত শুরু হয়)। এক সপ্তাহের তামরীন অন্য সপ্তাহে জমা দিলে নাম্বার কাটা যাবে।
-
৪.২ নিয়ম ও কিতাব: তামরীনে ইফতার নিয়মাবলির পিডিএফটি দারসে পড়িয়ে দেয়ার পর মুখস্ত করতে হবে। নির্ধারিত ফতোয়ার কিতাব মুতালাআ করতে হবে। দরকারি কিতাবের লিংক: durus.us/books/ifta-kitab
-
৪.৩ জমা পদ্ধতি: ‘Doc Scanner’ অ্যাপ দিয়ে ছবি তুলে উস্তাদজির ইনবক্সে বা স্টুডেন্ট পোর্টালে সাবমিট করতে হবে। শুধুমাত্র পরীক্ষার বিশেষ তামরীন মারকাযে পাঠাতে হবে। ফাইনাল তামরীন A4 কাগজে লিখে নিজের কাছে হেফাজত করতে হবে।
-
৪.৪ মুতালাআ এন্ট্রি: প্রতিদিন নির্ধারিত মুতালাআ শেষ করে মাসআলা নোট/মুখস্ত করে স্টুডেন্ট পোর্টালে এন্ট্রি করতে হবে।
৫. সমাপনী অনুষ্ঠান সংক্রান্ত কানুন
-
৫.১ অংশগ্রহণ: বছর শেষে সমাপনী অনুষ্ঠানে সশরীরে অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক। প্রতিনিধি গ্রহণযোগ্য নয়। ওই দিন অন্য কোনো প্রোগ্রাম রাখা যাবে না। ফারেগীনদের ভিডিও সাক্ষাৎকার নেয়া হয়, তাই সেভাবে প্রস্তুতি নিয়ে আসতে হবে।
-
৫.২ সময় ও ভেন্যু: অনুষ্ঠান সাধারণত জোহরের পর থেকে ইশা পর্যন্ত প্রধান কার্যালয় ঢাকা মানিকনগরে অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকায় আটকে গেলে মারকাযে আবাসন ব্যবস্থা থাকবে।
-
৫.৩ মেহমান ও আপ্যায়ন: দেশবরেণ্য উলামায়ে কিরাম তাশরীফ আনেন এবং দুপুরে আপ্যায়নের এন্তেজাম থাকে। অনুষ্ঠানে আসার আগে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে, অন্যথায় খাবারের টোকেন মিলবে না।
-
৫.৪ ফি ও বকেয়া: সনদ ও মার্কশিট ফি ১০০০, ইভেন্ট ফি ৩৫০০ টাকা (মোট ৪৫০০ টাকা)। মাসে ৫০০ টাকা করে জমা করলে ইভেন্ট ফি জমা হয়ে যাবে। বকেয়া পরিশোধ সাপেক্ষে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হবে। বকেয়া থাকলে বিশেষ বিবেচনায় অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ থাকলেও সনদ হস্তান্তর করা হয় না।
-
৫.৫ অন্যান্য সামগ্রী: চাবির রিং, কলম বা আসবাব অর্ডার থাকলে অনুষ্ঠানের দিন বুঝে নিতে হবে। পরে অভিযোগ গ্রহণ করা হবে না।
৬. বেতন ও লেনদেন সংক্রান্ত কানুন
-
৬.১ পরিশোধের সময়: প্রতি মাসের বেতন ১-৫ তারিখের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। সারা বছর বকেয়া জমিয়ে বছর শেষে ছাড়ের আবেদন গ্রহণ করা হয় না।
-
৬.২ বেতন কর্তন ও নাম কাটানো: ছুটি বা দারসে অনুপস্থিতির কারণে বেতন কর্তন হয় না। অক্ষম হলে দ্রুত নাম কাটিয়ে নিতে হবে, অন্যথায় জিম্মায় ঋণ হিসেবে থেকে যাবে। টানা ৩ মাস বকেয়া থাকলে দারসের অনুমোদন স্থগিত থাকবে।
-
৬.৩ পেমেন্ট নাম্বার: সকল লেনদেনের একমাত্র নাম্বার: 01710-709598 (বিকাশ, রকেট, নগদ, উপায়)। পারসোনাল অ্যাকাউন্ট হওয়ায় খরচসহ Send Money করতে হবে।
-
৬.৪ অন্যান্য মাধ্যম: ব্যাংক NPSB অথবা বিকাশ পেমেন্ট গেটওয়ের লিংক: durus.us/payment।
-
৬.৫ জানানোর নিয়ম: পেমেন্ট পাঠিয়ে কল করা যাবে না। মেসেজে জানাতে হবে (যেমন: “আমি আব্দুল্লাহ, রোল ১০০, লাস্ট ৬৫৪৩২ নাম্বার থেকে অমুক মাসের ফি পাঠিয়েছি”, টাকার অংক উল্লেখ নিষ্প্রয়োজন)।
-
৬.৬ রশিদ: মেসেজ Seen করার আধা ঘণ্টার ভেতর রশিদ না দিলে চেয়ে নিতে হবে। অনলাইনে টেক্সট বা ছবির রশিদ এবং অফলাইনে কাগুজে রশিদ দেয়া হয়। রশিদ ছাড়া লেনদেনের দাবি গ্রহণযোগ্য নয়।
- ৬.৭ যতদিন মারকাযের রেজিস্টারে নাম থাকবে, ততদিন বেতন গণনা হবে। কাজেই কোর্স কন্টিনিউ করতে না চাইলে রেজিস্টার থেকে নাম কাটিয়ে নিতে হবে। অন্যথায় বেতন প্রদানে বাধ্য থাকবে। অপরিশোধে আপনার জিম্মায় এটি ঋণ হিসেবে জমা হবে।